Take a fresh look at your lifestyle.

‘গার্ড অব অনার’: নারী কর্মকর্তায় আপত্তি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি

0

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে মঙ্গলবার জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার অনির্ধারিত আলোচনায় এ দাবি তুলেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই সুপারিশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “আমি বিস্মিত, হতবাক, ব্যথিত- এমন বিষয় আমার সহকর্মীরা উত্থাপন করতে পেরেছেন। সংবিধানে বলা আছে নারী-পুরুষে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। সেই দেশে যখন এই ঘটনা ঘটে তখন আমরা স্তব্ধ হয়ে যাই।”

সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুর পর তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানায় সংশ্লিষ্ট জেলা/উপজেলা প্রশাসন। ডিসি বা ইউএনও সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে থাকেন। কফিনে সরকারের প্রতিনিধিত্বকারী কর্মকর্তা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

অনেক স্থানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে নারী কর্মকর্তারা রয়েছেন, আর সেখানেই আপত্তি তুলেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

রোববার সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এনিয়ে আলোচনা ওঠার পর সরকারের কাছে সুপারিশ রাখা হয়েছে গার্ড অব অনার দেওয়ার ক্ষেত্রে নারী ইউএনওদের বিকল্প খুঁজতে।

সংসদীয় কমিটির এই সুপারিশের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নারী সংগঠনগুলো প্রতিবাদ করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠেছে সমালোচনা।

সংসদে শিরীন আখতার বলেন, “সংসদীয় কমিটিতে যুক্তি এসেছে নারী যেহেতু জানাজায় অংশ নিতে পারে না সেজন্য গার্ড অব অনারে নারী যাতে না থাকে সেই সুপারিশ এসেছে। জানাজা এবং গার্ড অব অনার এক নয়। আমি এরকমও শুনেছি, এক জেলায় একজন স্মারকলিপি দিয়েছে কোন হিন্দু যাতে মুসলমান মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মান না জানায়।

“যখন দেশজুড়ে মৌলবাদের আস্ফালন দেখা যাচ্ছে তখন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির কাছ থেকে এমন সুপারিশ এসেছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি, যাতে এরকম কলুষিত সিদ্ধান্ত না নেওয়া

Leave A Reply

Your email address will not be published.