Business is booming.

আশুলিয়ায় স্বর্ণালংকার ও নগদসহ মোট ১ কোটি ২ লাখ ৩২ হাজার টাকার মালামাল লুটের ঘটনায় ডাকাত দলের সর্দার গ্রেপ্তার

0

সোহরাব হাওলাদারকে (৪৮) বুধবার রাতে অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কয়েকটি দল অভিযান চালিয়ে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।

৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে আশুলিয়া নয়ারহাট বাজারের ১৯টি স্বর্ণের দোকান থেকে অজ্ঞাতনামা ২০-২২ জন সশস্ত্র ডাকাত অলংকার এবং নগদ টাকাসহ সর্বমোট এক কোটি দুই লাখ ৩২ হাজার টাকা লুট করে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় করা মামলার তদন্ত করছে সিআইডি।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক ইমাম হোসেন বলেন, ওই লুটের ঘটনায় মঙ্গলবার গ্রেপ্তার সুমন মিয়াকে (২৯) আদালতে সোপর্দ করলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

“সুমন মিয়ার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই আশুলিয়ার নয়ারহাট বাজারের স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী সোহরাবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, এই ঘটনায় প্রথমে ঢাকার বনশ্রী এলাকা থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত স্পিডবোটের চালক ডাকাত মো. শাহিনকে (২৫) গ্রেপ্তার করার পর তার দেখানো মতে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া বাজারঘাট থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত স্পিডবোটটি জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১৫ লাখ টাকা।

“২৫ সেপ্টেম্বর রাতে ডাকাত দলের আরেক সদস্য রাতে দানেশ ফকিরকে (৩৫) মাওয়া ঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী লুন্ঠিত স্বর্ণ ও রুপা ক্রয়ের সাথে জড়িত থাকায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর   আরেক ডাকাত মো. সুমন মিয়াকে (২৯) রাজধানীর তাঁতীবাজার এলাকা থেকে সিআইডির হেফাজতে নেয়া হয়।”

সিআইডির এই কর্মকর্তা জানান, এর আগে এই মামলায় শাহানা, আনোয়ার, দেলোয়ার, সবুজ রায়, আ. রহিম, আল মিরাজ মিন্টু, কামাল, শাহিন শেখ, দানেশ ফকির এবং সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার হয়েছে।

ইমাম হোসেন বলেন, ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় রহিমের বাসা থেকে ‘আশুলিয়ার ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত’ ২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ১৪ লাখ টাকা ও শাহানার কাছ থেকে ‘স্বর্ণ বিক্রির’ নগদ ২ লাখ ৪৪ হাজার ৮৪০ টাকা ও আনুমানিক ৪ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

“আশুলিয়া থানার ডাকাতি মামলায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার ১৫ জন, তাদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ১০ জন।”

Leave A Reply

Your email address will not be published.